Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /home/radiojyo/public_html/wp-content/plugins/dj-profiles/lib/init.php on line 746
মানুষ কখন এবং কেন তার মনুষ্যত্ব বিসর্জন দেয় ? - Radio Jyoti

মানুষ কখন এবং কেন তার মনুষ্যত্ব বিসর্জন দেয় ?

কতটা পেলে সুখী বলা যায়, কতটা হারালেই দুখী হয়ে যায়, পাওয়া আর হারাবার যোগ গুন বিয়োগে শূন্যতা এসে দেই হাতছানি, জীবন ফুরালো নাকি, জীবন ফুরালো নাকি।

তবু এরই মাঝে আমাদের অর্জন, এরই মাঝেই আমাদের বিসর্জন, এরই মাঝে মনুষ্যত্বের প্রকাশ, এরই মাঝে মনুষ্যত্বের সর্বনাশ, এরই মাঝে প্রেম, এরই মাঝে বিরহ, এরই মাঝে বুকের ঘরে, খুব গভীরের অন্তঃস্থলে একাকীত্বের যাপিত জীবন, নিঃসঙ্গ নীরবতার দীর্ঘশ্বাস। এইতো জীবন………….।

তাহলে কেন এরই মাঝে মানুষ তার মনুষ্যত্বকে বিসর্জন দেই? প্রশ্নটা খুব সহজ; উত্তর! আদতেই কি জানা থাকে আমাদের?

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে জাপানে পারমানবিক বিস্ফোরণ ঘটান হোল, যার বীভৎসতা আমরা ভুলতে পারিনি, এটা কি শুধুই প্রতিপক্ষকে দমন নাকি আধিপত্যের আগ্রাসন? মনুষ্যত্ব সেদিন আড়ালে মুখ লুকিয়ে কেঁদেছিল, মনুষ্যত্ব সেদিন বিজয় উল্লাসেও মেতেছিল। এটাই “সার্বজনীন মনুষ্যত্বের বিচিত্র দৃশ্য, কেও সব হারিয়ে নিঃস্বতার হাহাকার নিয়ে ক্রন্দন করে, কেও করে বীজয়ের উল্লাসে দানবীও হুংকার।আধিপত্যের লোভে মনুষ্যত্বের পরাজয়”।

মাত্র পনের শত টাকা উৎকোচ না পেয়ে সরকারি মাতৃসদনের আই-সি-ইউ থেকে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে  দেয়া হলে হাসপাতাল করিডরের বারান্দার পাশেই ইট-সুরকির মধ্যে সন্তান প্রসব করেন গর্ভধারিণী, এটা হচ্ছে “বিবেক, মনুষ্যত্ব বিসর্জনের মহড়া”

এবার যদি আমরা বিষয় দুটি নিয়ে একটু ভেবে দেখি; প্রতিদিন কেন, কিভাবে “একটু একটু করে আমরা আমাদের মনুষ্যত্বকে বিসর্জন দিচ্ছি”, আসলে আমাদের অন্তর হচ্ছে ঠগ। ফলে প্রতিনিয়ত হৃদয় ঘরে জমা হচ্ছে  লোভ, লালসা, অহংকার, মিথ্যাচার, কামনা-বাসনা, ক্ষমতা, দাম্ভিকতা, প্রলোভন ইত্যাদি, আর এই সকল মন্দতার কারণেই আমরা আমাদের মনুষ্যত্বকে বিসর্জন দিচ্ছি, পাপের সাথে আপস করছি, পাপে ডুবে রয়েছি। সৃষ্টির সেরা হয়েও আমরা চতুরতার আশ্রয় নিচ্ছি, আর আমরা আমাদের মহান সৃষ্টি কর্তার রহমত থেকে নিজেকে বঞ্চিত করছি।

যখনই আমরা তাঁর সান্নিধ্য থেকে দূরে সরে যাই তখনই আমরা আমাদের মনুষ্যত্বকে হারিয়ে ফেলি, তিনি কখনই তা আশা করেন না। তাঁর সান্নিধ্যে থাকার একমাত্র উপায় হচ্ছে তাঁর বাক্যে বা কালামের বাধ্য হওয়া। তবেই আমাদের মনুষ্যত্ব সদা জাগ্রত থাকবে, তা কখনই বিসর্জিত হবে না।

যখই আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে শতভাগ ভালবাসব, তাঁর বাক্যের বাধ্য হব এবং মানুষকে নিজেরমতকরে ভালবাসতে পারব, কেবল তখনই মনুষ্যত্ব প্রকাশিত হবে।

প্রিয় বন্ধুরা যদি এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে, উত্তর জানতে লগ-অন করুন  www.radiojyoti.com

Rudra Polash
Follow me

You may also like...